নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজশাহীর দূর্গাপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণীর ভর্তিতে অনিয়ম ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানাযায়, দূর্গাপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তির আসন সংখ্যা ১১০ টি। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা (মাউশি) থেকে লটারির মাধ্যমে ফলাফলের তালিকা অনুযায়ী মেরিটে গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১০ টি আসনে ভর্তির কার্যক্রমের নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী শেষ দিন পর্যন্ত ভর্তির সংখ্যা ছিল – ৯৭ জন। আসন সংখ্যা পূরণের জন্য প্রথম ওয়েটিং ১ থেকে ১১০ এর মধ্যে- ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২৪ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৩টি ছাত্রছাত্রীকে ভর্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। সরকারি নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে দূর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাশতুরা আমিনা স্বাক্ষরিত মেরিটে বাদ পড়া ছাত্র উপজেলার জয়-কৃষ্ণপুর গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে ইয়ালিকে নিয়মবহির্ভূত করে চূড়ান্ত ভর্তি করা হয়। চুড়ান্ত তালিকার সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ২০২৫ ইং তারিখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজে একটি দরখাস্তে স্বাক্ষর করে ভর্তি সম্পন্ন করান।
অভিযোগ উঠেছে, প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহেদ আলী ও সহকারী শিক্ষক আব্দুল মতিনের জোগসাজসে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ওয়েটিং লিস্টে থাকা ১,২,৭,১৪,১৫,১৬ ছাত্র-ছাত্রীদের বাদ দিয়ে ১৭,১৮,১৯ থাকা শিক্ষার্থী ভর্তি সম্পূর্ণ করেন। তারা দুজনেই দূর্গাপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাবি করেন। এঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে দূর্গাপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দাবিকৃত মোঃ সাহেদ আলীর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন, এ ছাত্রকে ভর্তির ব্যাপারে আমার কোন বক্তব্য নাই। তবে ইউএনও স্যার একটি লিখিত দরখাস্তে ভর্তির জন্য স্বাক্ষর দিয়েছে । সেই মোতাবেক আমি ভর্তি নিয়েছি। বাকী সবকিছু ইউএনও স্যার জানে।
এ বিষয়ে দূর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাশতুরা আমিনার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নাই।