রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর পবা উপজেলার খড়খড়ি বাইপাস থেকে মোহনগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে একটু বৃষ্টিতেই পিচ ঢালা মহাসড়ক এখন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। বৃষ্টির পর কাঁদা মাখা সড়কটি দেখে বুঝার উপায় নাই এটা পাঁকা রাস্তা। পুকুর খননের মাটি কাঁকড়া, মাহিন্দ্রা ও ট্রাক যোগে ইটভাটা সহ বিভিন্ন স্থানে নেওয়ার সময় মাটি পড়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
আজ ২১শে মার্চ ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে আঞ্চলিক সড়কের বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যদি বৃষ্টি না হয় তবে ধুলায় চোখে দেখা যায় না। সড়কের পার্শ্ববর্তী বাড়ি-ঘরে ঢুকে যাচ্ছে ধুলা। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সড়কের আসে পাশের বসবাসকারী গ্রামবাসীর এবং মাঝে মাঝে ঘটছে বড় ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা।
এলাকাবাসী জানায়,অবৈধ পুকুরের মাটি ইটভাটায় নেয়ার সময় অতিরিক্ত মাটি রাস্তায় পড়ে সৃষ্টি হচ্ছে ধুলার, আর একটু বৃষ্টি হলেই তৈরি হচ্ছে কাদা। লোডকৃত মাটিবাহী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপে ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে মহাসড়কেরং রাস্তা। সে কারনে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আর ট্রাক দিয়ে মাটি নেওয়ার সময় রাস্তার পাশে থাকা ফসলে ধুলা পড়ে নষ্ট হচ্ছে ফসল,শুধু তাই নয় ধুলা ডুকে যাচ্ছে বাড়ি-ঘরের ভিতরেও। চেয়ারম্যান মেম্বার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনেরা এ ব্যবসায় সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করছেন।

আবার কেউ কেউ বড় বড় নেতাদের পরিচয় দিয়ে তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা করছে পুকুর খননসহ মাটির ব্যবসা। এলাকাবাসীর অভিযোগ সরকারি কর্মকর্তাদের নজরদারির অভাবে রাস্তার এ অবস্থা তৈরি হচ্ছে। পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেও কোন ফলাফল পাওয়া যায় নি।
সরেজমিনে দেখা যায়,ভাল্লুক পুকুর থেকে হাট গোদাগাড়ী পর্যন্ত সড়ক বৃষ্টি হলেই হয়ে যায় মৃত্যুর ফাঁদ। আতিক নামে এক পথচারী বলেন, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় শুধুই ধূলা। আজ সকাল থেকে বৃষ্টি এখন যানবাহন তো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচল করাই অসম্ভব। মাটির ট্রাক চলাচল বন্ধ না হলে এমন কষ্ট চলতেই থাকবে।
সিএনজি ও অটোরিকশা চালকরা জানান, মাটির ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তায় যাত্রী নিয়ে আমরা সব সময় আতঙ্কে থাকি। তারপর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। যাত্রীরাও আতঙ্কে থাকে কখন দূর্ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদন সংগ্রহ কালিন অবস্থায় সংবাদ কর্মীদের সামনেই ১ কিলোমিটার রাস্তার মাঝখানে ঘটে যায় লোম হর্ষক ৬টি মটরসাইকেল দুর্ঘটনা।
এলাকাবাসী,পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনের চালককেরা প্রশাসনের কাছে দাবি অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ এবং ইট ভাটার মালিকদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।