May 30, 2026, 10:38 am
শিরোনাম :
রাজশাহী দুর্গাপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুর্গাপুর পৌরসভায় ভিজিএফ এর চাল বিতরন দুর্গাপুরে ভূমি সেবা মেলা উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সংঘর্ষে অটোরিকশা ভাঙচুর,আহত-৭ দুর্গাপুর পৌরসভায় নতুন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের যোগদান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের সমাপনী দিনে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করলেন নাটোরের ডিসি দূর্গাপুরে ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন দূর্গাপুরে ছাত্রদলের উদ্যোগে এস‌এসসি পরিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার স্যালাইন ও পানি বিতরন নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ জেলা পর্যায়ে সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত যারা বিএনপির জন্য মার খেয়েছে আক্রান্ত হয়েছে প্রত্যেকটা পরিবারের পাশে বিএনপি দাড়াবে নাটোরে- হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু

দুর্গাপুরে সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলীর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

ক্রাইম নিউজ ডেক্সঃ

@ পর্ব-১

* অডিটে নিষ্ক্রিয় সমিতিকে সচল দেখানো, একই ব্যক্তির নামে একাধিক সমিতি *

ক্রাইম নিউজ ডেক্সঃ

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় সমবায় দপ্তরকে ঘিরে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলী। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষ বাণিজ্য ও তার প্রত্যক্ষ তদারকিতেই দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় সমবায় সমিতিগুলোকে অডিট প্রতিবেদনে সচল দেখানো এবং বিভিন্ন অনিয়মকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলায় ২০২৫-২৬ বছরের অডিট শেষে ৭৩ টি মৎস ও সমবায় সমিতি সচল বলে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
তবে বেশিরভাগ সমবায় সমিতি বাস্তবে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করছে না। সমিতির বেশির ভাগ সদস্য আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকার কারনে উপস্থিতি নেই, নিয়মিত সভা হয় না, সমিতির কোন অফিসও কার্যত নেই । তবুও অডিট প্রতিবেদনে এসব সমিতিকে সচল দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলী অফিসের দুই সহকারী পরিদর্শক নিয়ে অডিট প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে নিষ্ক্রিয় সমিতিগুলোকে সচল দেখাচ্ছেন। এর মাধ্যমে প্রভাবশালী মহলকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আজগর আলীর বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া একই ব্যক্তির নামে একাধিক সমিতি দেখানোর বিষয়টিও সামনে এসেছে। আর এসব অনিয়ম সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলী জ্ঞাতসারেই পকেট ভরছেন। যার ফলে প্রকৃত মৎস্য ও সমবায় সমিতি সরকারি বিভিন্ন সুবিধা ও জলমহাল ইজারার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মৎস্যজীবী বলেন, “যেসব সমিতির কোনো কার্যক্রম নেই, সেগুলোও অডিটে ঠিকঠাক দেখানো হয়েছে। এসব কিছুই সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলীর তত্ত্বাবধানেই হচ্ছে। ঘুষ ছাড়া কোন কাজই নাকি তার কাছে এগোয় না।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলীর অধীনে এমন অনিয়ম চলতে থাকলে সমবায় ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আজগর আলী বলেন, বছর শেষে দপ্তর থেকে নির্দেশেনা আসে তাই অডিট করি। অডিটের খরচ দেয়। আসলে এসব পকেট সমিতি। সমিতি গুলোর কোন অফিস, সাইনবোর্ড নাই বা কার্যক্রমও নাই। সমিতি গুলো বাতিলযোগ্য। এরা কেউ কোন রেজিস্টার খাতা ও লিখতে পারে না। আমরা দুর্গাপুরের সমবায় অফিসকে বাঁচাতে, আমারা অফিসে বসে খাতাগুলোর কাজ সেরে দিই।
“সবকিছু সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। কেউ যদি কোনো অভিযোগ করে, তাহলে তদন্ত করে দেখা হবে।

এদিকে স্থানীয় মৎস্যজীবী ও সচেতন নাগরিকরা বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কাগজে-কলমে নয়—বাস্তবে সক্রিয় সমিতিগুলোকেই সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেজ